নাসিরনগর উপজেলা
নাসিরনগরের ১৩টি ইউনিয়ন
নাসিরনগরের ১৩টি ইউনিয়নের গ্রাম, অবস্থান, ইতিহাস, জনসংখ্যা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানের তথ্য এক জায়গায় দেখুন। পরিসংখ্যানের প্রকাশকাল সংশ্লিষ্ট পেজে উল্লেখ আছে।
১৩
ইউনিয়ন মিলে নাসিরনগর উপজেলা
নাসিরনগর
Nasirnagar Sadar
উপজেলা পরিষদ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, থানা, ডাকবাংলো, সরকারি কলেজ, সবই এই সদর ইউনিয়নে। উপজেলার প্রশাসন আর ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্র এটাই। লংগন নদী বয়ে গেছে ইউনিয়নের ওপর দিয়ে।
হরিপুর
Haripur
নাসিরনগরের সবচেয়ে পরিচিত নিদর্শন হরিপুর বড়বাড়ি (জমিদার বাড়ি) তিতাস নদীর পাড়ের এই ইউনিয়নে। স্থানটি উপজেলা সদর থেকে দক্ষিণ-পূর্বে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে, নাসিরনগর–মাধবপুর সড়কের পাশে।
গোকর্ণ
Gokarna
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় আয়তনে এর চেয়ে বড় ইউনিয়ন আর নেই। এখানকার গোকর্ণ গ্রামেই জন্ম নবাব স্যার সৈয়দ শামসুল হুদার। গোকর্ণ নবাব বাড়িও এখানে। দক্ষিণের সীমানা ধরে বয়ে গেছে তিতাস নদী।
ফান্দাউক
Fandauk
মন্দির, মাজার আর ফান্দাউক বাজারের জন্য লোকে এই ইউনিয়নকে চেনে। গোপীনাথ জিউ মন্দির আর পাগল শংকর জিউ মন্দিরে ভক্তরা আসেন দূরদূরান্ত থেকে। বলভদ্রা নদীর ওপর বলভদ্র সেতুটাও এখানে।
কুন্ডা
Kunda
কুন্ডাকে ঘিরে রেখেছে বলভদ্রা আর কাস্তি নদী। ইউনিয়নটা উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে। পরিচিত জায়গার মধ্যে আছে প্রাচীন কাহেতুরা মসজিদ আর মহিষবেড়ের শায়খুল বাঙ্গাল দরবার শরিফ।
চাতলপাড়
Chatalpar
চাতলপাড় আছে উপজেলার পশ্চিমে, মেঘনার পাড়ে। জনসংখ্যায় এটাই সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন, ২০টি গ্রাম নিয়ে। চাতলপাড় ডিগ্রি কলেজ আর কচুয়া দরবার শরীফের জন্য এলাকাটা পরিচিত। মেঘনা হয়ে নৌপথে ভৈরবের সঙ্গে যোগাযোগ আছে। বর্ষায় এখানকার প্রধান দৃশ্য হাওরের থইথই পানি।
ভলাকুট
Bhalakut
হাওরে ঘেরা ভলাকুট পড়েছে লংগন নদীর দক্ষিণে। বর্ষায় যাতায়াতের প্রধান ভরসা নৌকা। চণ্ডিতলা এলাকার পরিচিত জায়গা।
গোয়ালনগর
Goalnagar
মেদির হাওড় এই ইউনিয়নেই। বর্ষায় হাওরটি দেখতে সমুদ্রের মতো লাগে, এলাকার লোকে একে বলে 'মিনি কক্সবাজার'। ইউনিয়নটা উপজেলার উত্তর-পশ্চিমে, মেঘনার পাড়ে।
বুড়িশ্বর
Buriswar
বুড়িশ্বর পড়েছে উপজেলার উত্তরে, বলভদ্রা নদীর পাড়ে। জয়কুমার জমিদার বাড়ি আর পণ্ডিত কৃষ্ণকিশোর বিদ্যাসাগরের বাড়ি, দুটোই এখানকার ঐতিহাসিক নিদর্শন। এলাকার প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিজয়লক্ষ্মী স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
গুনিয়াউক
Guniauk
প্রথম বাঙালি মুসলমান ব্যারিস্টার আবদুর রসুলের জন্ম এখানে। উপজেলার দক্ষিণ-পূর্বে, তিতাসের শাখা আর ক্ষুরধর নদীর পাড়ে ছোট এই ইউনিয়ন। গুনিয়াউক বাগান বাড়ি এখানকার পরিচিত ঐতিহাসিক জায়গা।
চাপরতলা
Chapartala
চাপরতলা আয়তনে ছোট, উপজেলার পূর্ব দিকে। পঞ্চম জাতীয় সংসদের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মুর্শেদ কামাল এই এলাকারই মানুষ। এখানে পড়াশোনার প্রধান প্রতিষ্ঠান সৈয়দ কামরুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয়।
পূর্বভাগ
Purbabhag
উপজেলার ইউনিয়নগুলোর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট পূর্বভাগ। তিতাস নদী গেছে এর দক্ষিণ সীমানা দিয়ে। 'ফখরে বাঙ্গাল' মাওলানা তাজুল ইসলামের জন্মস্থান ভূবন গ্রাম এখানেই। সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হকের এলাকাও এটা।
ধরমণ্ডল
Dharmandal
হবিগঞ্জ জেলার সীমানা ঘেঁষে, উপজেলার একেবারে পূর্ব প্রান্তে ধরমণ্ডল। পশ্চিমের সীমানা বরাবর বয়ে গেছে বলভদ্রা নদী। এলাকার কেন্দ্র ধরমণ্ডল বাজার আর ধরমণ্ডল উচ্চ বিদ্যালয়।